সাভার ও ধামরাইয়ে শারদীয় দুর্গোৎসবের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন


স্টাফ রিপোর্টার,০৭ অক্টোবর ২০২৪(বিবিনিউজ): কৈলাশ থেকে মর্ত্যে আসবেন দেবী দুর্গা। মন্ডপে মন্ডপে উৎসবের আমেজ। মহালয়ার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে শারদ উৎসবের আনুষ্ঠানিকতা। দেবী বন্দনার প্রস্তুতির পাশাপাশি প্রতিমা সাজাতে ব্যস্ত সাভার,আশুলিয়া ও ধামরাইয়ের শিল্পীরা। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব, শারদীয় দুর্গোৎসব। অধিকাংশ মন্দিওে রংতুলি ও শাড়ী পড়ানোর কাজ শেষ। মন্দির গুলোর বাহিরের অন্যান্য কাজ চলছে শেষ মুহুতের প্রস্তুতি।


পিতৃপক্ষের অবসান ও দেবী পক্ষের শুরুর তিথি মহালয়া। এ দিন ভোরে চীপাঠের মধ্য দিয়ে মর্ত্যলোকে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে দেবী দুর্গাকে। দুর্গতিনাশিনীর আগমন উপলক্ষে মন্ডপে মন্ডপে ব্যস্ততার শেষ নেই প্রতিমা শিল্পীদের। সাভার ও ধামরাইয়ে প্রায় সাড়ে তিনশত মন্ডপে উদযাপিত হচ্ছে শারদীয় দুর্গোৎসব। প্রতিমা সাজাতে ব্যস্ততার শেষ নেই শিল্পীদের। চলছে মন্ডপে মন্ডপে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। অনেকে ইতোমধ্যে কিনাকাটা শেষ করেছে এবং দেবীর কাছে সুশিক্ষায় শিক্ষিতসহ বিভিন্ন প্রার্থনা করছে দেশের জন্য।হিন্দু সম্প্রদায়ের শাস্ত্র মতে, দুর্গতিনাশিনী দশভুজা দেবী দুর্গা এবার আসছেন দোলায় চড়ে, আর ফিরে যাবেন ঘোড়ায় চেপে। প্রশাসন ও পুলিশের নিরাপত্তা আশ্বাসসহ অনুদান প্রদান করছেন মন্দির কমিটির কাছে।

সাভার উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটি সভাপতি বরুন ভৌমিক নয়ন , সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ কুমার দাস এবং এক পুরোহিত এ সমস্ত কথা কলেন।

ঢাকা জেলার এসপি আহম্মদ মুঈদ সাভার ও আশুলিয়ার বিভিন্ন পূজামন্ডব পরিদর্শন করেন এবং দিক নির্দেশনা প্রদান করেন। পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নের জন্য নেয়া হয়েছে সিসি ক্যামেরা স্থাপনসহ অভূতপূর্ব কয়েক স্তরের কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

এদিকে সাভারের সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-পরিবার কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ডাঃ দেওয়ান মোঃ সালাউদ্দিন বাবু ও সাভার উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি জামাল উদ্দিন সরকার এবং আশুলিয়া থানা বিএনপির সাধারন সম্পাদক আলহাজ¦ আব্দুল গফুর মিয়া হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মাঝে দূর্গাপুজা নির্বিঘ্নে করার লক্ষে নিজস্ব অর্থায়ন থেকে নগদ অর্থ প্রদান করেছেন । দলীয় ভাবে পৃথক পৃথক ভাবে সাভার ও আশুলিয়ায় হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনের সাথে মতবিনিময় সভাও করেছেন তারা। আইন শৃংখলাবাহিনীর পাশাপাশি বিএনপি নেতাকর্মীরা মন্দিরে সর্তক অবস্থানে পাহারায় থাকবে ।

ধর্ম যার যার উৎসব সবার শ্লোগানকে সামনে রেখে আগামী ৯ অক্টোবর শুরু এবং ১৩ অক্টোবর দেবীকে বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় এই ধর্মীয় উৎসব। দেশে বয়ে আসবে শান্তি এমনটি প্রত্যাশা সকলের।

Related posts

Leave a Comment